Wednesday , 17 July 2019

এইমাত্র পাওয়া খবর
Home » অর্থনীতি » রাণীনগরে শুরু হয়েছে আগাম জাতের ইরি-বোরো ধান কাটার ধূম ॥ বাম্পার ফলনের আশা কৃষকদের

রাণীনগরে শুরু হয়েছে আগাম জাতের ইরি-বোরো ধান কাটার ধূম ॥ বাম্পার ফলনের আশা কৃষকদের

April 23, 2019 12:36 pm by: Category: অর্থনীতি, নওগাঁ জেলার খবর, বাংলাদেশ Leave a comment A+ / A-

নওগাঁ জেলা সংবাদদাতা ঃ নওগাঁর রাণীনগরের সোনালী মাঠে মাঠে শুরু হয়েছে আগাম জাতের ইরি-বোরো ধান কাটার মৌসুম। একদিকে এলো মেলো বাতাসে যেমন দুলছে ধানের শীষ অন্য দিকে বাতাসের তালে তালে কৃষকের অন্তরে দোল খাচ্ছে দু’চোখ ভরা স্বপ্ন।
বর্তমানে আবহাওয়া ভালো থাকায় ইতিমধ্যই উপজেলার কিছু কিছু মাঠে শুরু হয়েছে প্রধান ফসল আগাম জাতের ইরি-বোরো ধান কাটার কাজ। আবহাওয়া যদি ভালো থাকে ও কোন প্রকারের প্রাকৃতিক দূর্যোগ হানা না দিলে এবার ধানের বাম্পার ফলন পাওয়ার আশা করছেন উপজেলার কৃষকরা।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে সাড়ে ১৯ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আগাম জাতের খাটো-১০ এবং অধিকাংশ জমিতে জিরাশাইল জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। মৌসুমের শুরু থেকেই আবহাওয়া ও প্রকৃতি ধান চাষের অনুকুলে থাকায় মাঠে তেমন কোন রোগ বালাইয়ের আক্রমণ দেখা যায়নি। সম্প্রতি কয়েকবার প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা দিলেও ধানের তেমন কোন ক্ষতি হয়নি। বর্তমানে উপজেলার কিছু কিছু মাঠে আগাম স্থানীয় খাটো-১০জাতের ধান কাটা শুরু করেছে কৃষকরা। যদি শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া ভালো থাকলে, শিলাবৃষ্টি না হলে, কোন প্রকারের প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা না দিলে এবং কৃষকরা মাঠের ধান ভালো ভাবে ঘরে তুলতে পারেন তাহলে কৃষকরা এবার বাড়িতে ধান রাখার জায়গা পাবেন না বলে আশা করছেন কৃষি অফিস। বিগত সময়ের চাইতে এবার ধানের রেকর্ড পরিমান ফলন হবে। শেষ পর্যন্ত ধানের বাজার ভালো থাকলে কৃষকরা বিগত সময়ের লোকসান কাটিয়ে লাভবান হতে পারবেন।
উপজেলার খট্টেশ্বর গ্রামের কৃষক রেজাউল ইসলাম, কাশিমপুর গ্রামের কৃষক গোলাম মোস্তফা বলেন, বিগত সময়ের তুলনায় এবার ধানে পোকা-মাকড় ও রোগ বালাইয়ের আক্রমণ অনেক কম হয়েছে। ধান ঘরে তোলার আগ পর্যন্ত যদি আবহাওয়া ভালো থাকে এবং কোন প্রকারের প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা না দেয় তাহলে বিগত সময়ের তুলনায় উপজেলার কৃষকরা চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে রেকর্ড পরিমাণ ধানের ফলন পাবে। ফলন বাম্পার পাওয়ার পর যদি ধানের বাজার ঠিক থাকে তাহলে বিগত সময়ে ধান চাষে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা লোকশান পুষিয়ে নিয়ে অনেকটাই লাভবান হবেন বলে আমরা আশাবাদী।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম বলেন এখন পর্যন্ত আবহাওয়া ও প্রকৃতি ধানের পক্ষে রয়েছে। শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া ও প্রকৃতি যদি ধানের অনুক’লে থাকে এবং কৃষকরা ভালো ভাবে ধানগুলো ঘরে তুলতে পারেন তাহলে কৃষকরা সকল প্রকার ধানের প্রচুর ফলন পাবেন যা কৃষকের বাড়িতে রাখার জায়গা হবে না। আমরা বিঘা প্রতি খাটো-১০ এর ফলন ২০-২২ মণ এবং জিরা ধানের ফলন বিঘা প্রতি ২২-২৫মণ হারে পাওয়ার আশা করছি। আর ক’দিনের মধ্যেই উপজেলায় পুরোদমে শুরু হবে ধান কাটার মৌসুম। শেষ পর্যন্ত ধানের বাজার ঠিকঠাক থাকলে কৃষকরা চলতি ইরি-বোরো মৌসুমের ধান বিক্রি করে বিগত সময়ের লোকশান পুষিয়ে নিতে পারবেন।

রাণীনগরে শুরু হয়েছে আগাম জাতের ইরি-বোরো ধান কাটার ধূম ॥ বাম্পার ফলনের আশা কৃষকদের Reviewed by on . নওগাঁ জেলা সংবাদদাতা ঃ নওগাঁর রাণীনগরের সোনালী মাঠে মাঠে শুরু হয়েছে আগাম জাতের ইরি-বোরো ধান কাটার মৌসুম। একদিকে এলো মেলো বাতাসে যেমন দুলছে ধানের শীষ অন্য দিকে ব নওগাঁ জেলা সংবাদদাতা ঃ নওগাঁর রাণীনগরের সোনালী মাঠে মাঠে শুরু হয়েছে আগাম জাতের ইরি-বোরো ধান কাটার মৌসুম। একদিকে এলো মেলো বাতাসে যেমন দুলছে ধানের শীষ অন্য দিকে ব Rating: 0

Leave a Comment

scroll to top