যে সমস্ত জায়গা থেকে আম লিচু যাবে, রাস্তায় কোন ট্রাক যেন প্রতিবন্ধকতা না হয়, সেজন্য সরকার তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখবে সরকার।

--------খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার

যে সমস্ত জায়গা থেকে আম লিচু যাবে, রাস্তায় কোন ট্রাক যেন প্রতিবন্ধকতা না হয়, সেজন্য সরকার তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখবে সরকার।

মামুন পারভেজ হিরা,নওগাঁ ঃ খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, দেশের যে সমস্ত জায়গা থেকে আম লিচু যাবে, রাস্তায় কোন ট্রাক যেন প্রতিবন্ধকতা না হয় সেজন্য সরকার তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখবে সরকার। এ্যাপসের মাধ্যম শুধুমাত্র আমের বাজারের সাথে নয় পরিবহনের সাথেও এ্যাপসের যোগাযোগ থাকবে। সরকারী পরিবহনের সাথে, এমনকি বন্দরে যেগুলো ট্রাক কাভার্ড ভ্যানগুলোর সাথে যুক্ত থাকবে। এছাড়াও ৮টি সংস্থার সাথে এ্যাপসের সংযুক্ত থাকবে। তাদেরকে বললেই সেখানে চলে গিয়ে নিয়ে আসবে এসব পন্য। আম নিয়ে ঢাকায় পৌছে দেয়ার পর খালি ট্রাক ফিরে গেলে যমুনা সেতুতে টোল ৫০ ভাগ নেয়া হবে জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, হাসপাতালে রোগীদের খাদ্যে কলার পরিবর্তে আম দেয়া, পুলিশ ব্যারাক গুলোতে আমের বাজার গড়ে তোলা, সেনাবাহিনীতে আমের বাজার গড়ে তোলা ইত্যাদি ব্যবস্থা করা হচ্ছে যাতে আম চাষীরা আমের নায্য মূল্য পায়। সারা দেশে করোনা ভাইরাসের কারনে আম চাষীরা বা ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সেজন্য সব রকমের সাপোর্ট দিবে সরকার।
মন্ত্রী আরও বলেন, যারা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আম ব্যবসায়ীরা আম কিনতে যাবেন তাদের স্বাস্থ্য সম্মত থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা ও ব্যাংকিং ব্যবস্থা যেন ভাল থাকে, মহামারী করোনা ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষার জন্য সামাজিক ও শারিরিক দুরত্ব বজায় থাকে সেজন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আড়তদার সমিতির নেতৃবৃন্দদের নির্দেশ দেন। শুধু তাই নয় আমের খালি ট্রাক এবং ক্যারেটগুলো আম লোড দেয়ার পূর্বে ভাল ভাবে জীবানু নাশক স্প্রে করে রোদে শুকিয়ে তারপর আম গুলো ট্রাকে লোড দেয়ার নির্দেশ দেন। এছাড়াও গাদাগাদি করে আম বিক্রি যেন না করতে হয় সেজন্য সাপাহার উপজেলায় আমের বাজার বৃদ্ধি করতে এবং পোরশা উপজেলায় রাস্তার পাশে সরাইগাছীতে দুটো বড় আমের বাজার বসানোর প্রশাসনের প্রতি নির্দেশ দেন।
আম, কাঁঠাল, লিচুসহ জৈষ্ঠের ফলফলাদি উৎপাদন ও বাজারজাত বিষয়ে অনুষ্ঠিত ভিডিও কনফারেন্সে  নওগাঁ জেলা প্রশাসনের সাথে মত বিনিময় করেন।
ঢাকা থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে মন্ত্রী জেলা প্রশাসক হারুন অর রশীদ, পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম, সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী হামিদুল হক, সাপাহার ও পোরশা উপজেলার চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক, বিভিন্ন সরকারী কর্মকর্তা, আম উৎপাদনকারী কৃষক, ব্যবসায়ী, পরিবহন মালিক ও সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন এবং বিভিন্ন দিক নির্দেশনামুলক কর্মকর্তাদেরকে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন খাদ্যমন্ত্রী।