Friday , 13 December 2019

এইমাত্র পাওয়া খবর
Home » অর্থনীতি » নওগাঁ-সান্তাহারে চালের দর পতন ও অটো মিলের গুদামে শত শত মেঃ টন চালে পচন

নওগাঁ-সান্তাহারে চালের দর পতন ও অটো মিলের গুদামে শত শত মেঃ টন চালে পচন

October 2, 2019 2:03 pm by: Category: অর্থনীতি, নওগাঁ জেলার খবর, বাংলাদেশ, শিল্প ও বাণিজ্য Leave a comment A+ / A-

নওগাঁ জেলা সংবাদদাতা ঃ খাদ্য উদ্বৃত্ত এলাকা হিসাবে পরিচিত নওগাঁ ও পশ্চিম বগুড়ার সান্তাহার। চলতি মৌসুমে খোলা বাজারে চালের দর পতনের কারণে মিল মালিকদের ক্রয় মূল্য থেকে প্রতি ৫০ কেজির বস্তায় ৪শ থেকে ৫শ টাকা লোকসান দিয়ে বিক্রয় করতে হচ্ছে। সালমান অটোমেটিক রাইস মিল সহ বেশ কয়েকটি অটোমেটিক রাইস মিল মালিকদের গুদামে অনুরুপ ভাবে মজুদকৃত শত শত মেঃটন চাল বিক্রয় করতে না পেরে বর্তমান ওই চালের অধিকাংশে পচন ধরেছে। এসব মিল মালিকরা ব্যাংকের ঋণ এবং আগামী ব্যবসার ভবিষ্যৎ নিয়ে বড়ই সংশয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট তথ্য মিল মালিক ব্যবসায়ী সূত্রে প্রকাশ।
জানা যায়, গত বোরো মৌসুমের শুরুতে এই মিল মালিকগণ খোলা বাজার থেকে বর্তমান বাজারের চেয়ে উচ্চ মূলে ধান ক্রয় করে তা ক্রাশিং এর পর তাদের গুদামে চাল সংরক্ষণ করে। তাদের সংরক্ষিত চাল তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি করে। ধানের বাজার দর পতনের পর তাদের ক্রয়কৃত ধান ক্রাশিং এর পর ৫০ কেজির বস্তায় লোকসান দিতে হচ্ছে ৪শ থেকে ৫শ টাকা করে। এভাবে নওগাঁ ও সান্তাহারের প্রায় অর্ধ শত অটো মিল মালিক খোলা বাজারে চাল বিক্রি করে লোকসান পাচ্ছে। সালমান অটোমেটিক চাল কলের মালিক লোকসান দিয়ে চাল বিক্রয় করতে করতে তবুরও তার গুদামে অন্তত ৫শ থেকে ৬শ মেঃটন চাল অবিক্রিত থেকে যায়। ওই চালের নিচে বস্তা গুলোতে পচন ধরে প্রায় ২-৩শ মেঃটন চাল নষ্ট হয়ে পড়ে। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক ওই এলাকার আরও দুই তিন জন অটোমেটিক মিল মালিকরা জানান, তাদের গুদামেও অনুরুপ ভাবে অবিক্রিত চাল গুলো নষ্ট পথে বসতে চলেছে।
সালমান অটো রাইস মিলের মালিকা আলহাজ্ব মাসুম বিল্লাহ বলেন, বিগত ২০১৭ সালের নভেম্বর ডিসেম্বর মাস থেকে ২০১৮ সালের জানুয়ারী মাস পর্যন্ত প্রক্রিয়া জাতকৃত চাল ২০ হাজার বস্তা। বিনা-৭ ধান থেকে ক্রাশিং করে মজুদ রাখা হয়। যে চালের মূল্য বর্তমান বাজারে প্রায় ৫ কোটি টাকারও অধিক। একই সাথে বিআর-৪৯, ১৮ হাজার বস্তা ধান ক্রাশিং করে মজুদ রাখা হয়। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৪ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। এই চাল গুলো প্রায় অবিক্রিতই থেকে গেছে। মাসুম বিল্লাহ ছাড়াও আরোও ১০-১৫ জন অটোমেটিক রাইস মিলের মালিকগণ জানান, সরকার দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ চাল উৎপাদন হওয়া শর্ত্বেও ভারত থেকে চাল এনে বাংলাদেশের বাজারে এই অস্থিরতা তৈরি করেছে। তাদের দাবী লাইসেন্স সার্টিফিকেট নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত খরচের চাইতে অতিরিক্ত অর্থ তাদের কাছ থেকে অবৈধ ভাবে গ্রহণ করা হয়। সরকার এদিকে কোন কর্ণপাত করেন না। সান্তাহার এই মিল মালিকগণ নওগাঁ মিল মালিকদের সাথে একাতত্ত্বা নিয়েই সার্বক্ষনিক ব্যবসায়ী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তারা ব্যবসা মন্দের কারণে ব্যাংকের শত শত কোটি টাকা ঋণ পরিশোধ নিয়ে বেকায়দায় পড়েছে। সরকার এই মিল মালিকদের প্রতি নজর না দিলে তারা আর্থিক ভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং ভবিষ্যতে তাদের এই প্রতিষ্ঠান গুলো চালানো দায় ভার হয়ে পড়বে। বুশরা অটোমেটিক মিলের সত্ত্বাধিকারী হাফেজ বেলাল হোসেন, একই কথা গুলো বললেন।

নওগাঁ-সান্তাহারে চালের দর পতন ও অটো মিলের গুদামে শত শত মেঃ টন চালে পচন Reviewed by on . নওগাঁ জেলা সংবাদদাতা ঃ খাদ্য উদ্বৃত্ত এলাকা হিসাবে পরিচিত নওগাঁ ও পশ্চিম বগুড়ার সান্তাহার। চলতি মৌসুমে খোলা বাজারে চালের দর পতনের কারণে মিল মালিকদের ক্রয় মূল্য নওগাঁ জেলা সংবাদদাতা ঃ খাদ্য উদ্বৃত্ত এলাকা হিসাবে পরিচিত নওগাঁ ও পশ্চিম বগুড়ার সান্তাহার। চলতি মৌসুমে খোলা বাজারে চালের দর পতনের কারণে মিল মালিকদের ক্রয় মূল্য Rating: 0

Leave a Comment

scroll to top