Wednesday , 24 April 2019

এইমাত্র পাওয়া খবর
Home » নওগাঁ জেলার খবর » খাদ্যমন্ত্রীর জামাইয়ের মৃত্যু নিয়ে একদিকে শোকের মাতম অন্যদিকে কুচক্রী মহলের সিন্ডিকেটের পাঁয়তারা

খাদ্যমন্ত্রীর জামাইয়ের মৃত্যু নিয়ে একদিকে শোকের মাতম অন্যদিকে কুচক্রী মহলের সিন্ডিকেটের পাঁয়তারা

March 20, 2019 11:12 am by: Category: নওগাঁ জেলার খবর, বাংলাদেশ, রাজনীতি Leave a comment A+ / A-

মামুন পারভেজ হিরা — ১৯৮৪ সালে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সাধন চন্দ্র মজুমদার। এরপর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হন তিনি। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন। কিন্তু দমে যাননি। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হন। এরপর দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়ী হন। এবার তিনি প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। নওগাঁ-১ (নিয়ামতপুর-পোরশা ও সাপাহার) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাধন চন্দ্র মজুমদার। একেবারের তৃণমূল থেকে উঠে আসা সাধন চন্দ্র মজুমদার খাদ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। ভারতের সীমান্ত ঘেষা নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহার উপজেলা নিয়ে গঠিত নওগাঁ-১ আসনে স্বাধীনতার পর এই প্রথমবারের মতো মন্ত্রী হয়েছেন কেউ। সাধন চন্দ্র মজুমদারের মন্ত্রী হওয়ার খবরে উচ্ছ্বসিত তাঁর নির্বাচনী এলাকাসহ নওগাঁ জেলাবাসী।

বিটিবি নিউজের অনুসন্ধানের আয়নায় জানা গেছে, সাধন চন্দ্র মজুমদার ১৯৫০ সালে ১৭ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। নওগাঁ ডিগ্রি কলেজ থেকে বিএ (স্নাতক) পাস করেন। তাঁর পৈত্রিক বাড়ি জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে। তবে নওগাঁ শহরের পোস্ট অফিসপাড়ায় সপরিবারে বসবাস করেন। বাবা মৃত কামিনী কুমার মজুমদার ও মা মৃত সাবিত্রী বালা মজুমদার। তিনি চার মেয়ে সন্তানের জনক। বড় মেয়ে সোমা মজুমদার ও তৃতীয় মেয়ে কাদেরী মজুমদার ব্যাংকার, দ্বিতীয় মেয়ে কৃষ্ণা মজুমদার চিকিৎসক এবং ছোট মেয়ে তৃণা মজুমদার প্রকৌশলী। অত্যন্ত সৎ ও নিষ্ঠাবান হিসেবে সাধন চন্দ্র মজুমদারের সুখ্যাতি রয়েছে। দলমত বির্নিশেষে আপামর সাধারণ মানুষের মধ্যেও তিনি পরম শ্রদ্ধা আর ভালবাসার পাত্র।

নওগাঁর ঠাঁ ঠাঁ বরেন্দ্র ভূমি এলাকা হিসেবে পরিচিত নিয়ামতপুর, পোরশা ও সাপাহার উপজেলা। এ তিন উপজেলায় ২০টি ইউনিয়ন পরিষদ। বছরে একটি মাত্র ফসল বৃষ্টি নির্ভর আমন। তবে খাদ্যের সংকটের চেয়ে পানির সংকট ছিল প্রকট। ভারতীয় সীমান্ত ঘেঁষা পোরশা ও সাপাহার উপজেলা। এই দুই উপজেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে পূর্ণভবা নদী। এ ছাড়াও সাপাহারে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী প্রায় এক হাজার আয়তনের জবই বিল। পূর্ণভবা নদী ও জবই বিল থেকে প্রচুর মাছ সংগ্রহ করা হয়ে থাকে।

২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় পর ১০ বছর সাংসদ থাকায় নির্বাচনী এলাকায় তৃণমূল থেকে নেতাকর্মী সু-সংগঠিত ও এলাকার অনেক উন্নয়ন করেছেন সাধন চন্দ্র মজুমদার। এখন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ থেকে গভীর নলকূপের মাধ্যমে জমিতে একাধিক ফসল উৎপাদন হচ্ছে। এ তিন উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা, পানির সু-ব্যবস্থা, বনায়ন, শিক্ষা ব্যবস্থায় দৃষ্টান্ত মূলক অবদান রেখেছেন তিনি। সব মিলিয়ে তিন উপজেলায় তিনি নিজের ও নিজ দল আওয়ামী লীগের গ্রহণযোগ্য ভাবমূর্তি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।

নিয়ামতপুর-পোরশা-সাপাহার উপজেলার বাহারী ঢঙে সাজানো উন্নয়নের পশরা দেখে মনে হয় এ যেন গ্রাম-গঞ্জ নয়; ইট, বালি, পাথর ও সিমেন্টে গড়া নান্দনিক উন্নয়নের এলাকা। পোরশা, সাপাহার ও নিয়ামতপুর ছিল এককালের দুর্গম এলাকা। এসব এলাকায় মানুষগণ নওগাঁ হতেও যেন অনেক দূ-রে বাস করতো। তবে দেরিতে হলেও উন্নয়নের জোয়ার হতে ছিটকে পড়েনি জায়গাগুলো। প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য নেতৃত্বে, সর্বস্তরের উন্নয়ন কর্মকান্ডে উদ্ভাসিত হয়েছে এই স্থানগুলো। নওগঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য সাধন চন্দ্র মজুমদার এই তিন এলাকার দুর্গমতাকে ইতহাসে পরিণত করতে নিরলস প্রচেষ্টা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর ঐক্লান্তিক প্রচেষ্টায় পোরশা, সাপাহার ও নিয়ামতপুরে যে আলোর বিচ্ছুরণ হয়েছে, তা আজ সর্বজনবিদিত। গ্রামাঞ্চল আজ আলোকিত। ঘরে ঘরে দেয়া হয়েছে বিদ্যুত-সংযোগ। পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত হয়েছে। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগের ফলে বরেন্দ্র অঞ্চলে আর্থ-সামাজিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। শস্য, মৎস্য, ছোট ছোট কারখানায় উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। শারীরিক পরিশ্রম হ্রাস ও মাথাপিছু আয় রেড়েছে বলে বিটিবি নিউজের একটি অনুসন্ধানের আয়নায় উঠে এসেছে।

অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, পোরশা, সাপাহার ও নিয়ামতপুরের সাথে নওগাঁ সদর ও পার্শ্ববর্তী জেলাসমূহের যোগাযোগ ব্যবস্থা অনুন্নত ছিল। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করে বর্তমান সরকার এই তিন এলাকাকে উন্নয়নের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপনে বিশাল ভূমিকা রেখেছেন। বর্তমানে এসব এলাকায় জনগণ সর্বক্ষণ নওগাঁ সদর ও অন্যান্য জেলায় নিরাপত্তার সাথে যাতায়াত করতে পারছেন। রাস্তাঘাটের উন্নয়নের কারণে স্থানীয় এলাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতি সঞ্চার হয়েছে। তাছাড়া এখানকার পুলিশ পেট্রোলিং আরও শক্তিশালী হয়েছে এবং এসব এলাকয় অপরাধ প্রবণতা কমে এসেছে। স্থানীয় এলাকার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ সামাজিক প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। সকল ক্ষেত্রে নাগরিক সেবা ও সুবিধা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

পোরশা, সাপাহার ও নিয়ামতপুরে বসবাসকারী আদিবাসীরা সুবিধা বঞ্চিত ছিল। বর্তমান সরকারের মেয়াদকালে এমপি সাধন চন্দ্র মজুমদারের সুদক্ষ নেতৃত্বের কারণে এই এলাকার আদিবাসীদের মৌলিক চাহিদা পূরণের ক্ষেত্রগুলো সমৃদ্ধ হয়েছে। পাশাপাশি সরকার এদের জমির মালিকানার বিষয়টি সুরাহা করে দিয়েছেন। বর্তমানে আদিবাসীরা নিরাপত্তার সাথে বসবাস করতে পারছে। গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-এর আওতায় আদিবাসীদের আকাশে নব রবি উদিত হয়েছে। সব মিলিয়ে নিয়ামতপুর-পোরশা-সাপাহার উপজেলার আলোকবর্তিতা হিসেবে কাজ করছেন স্থানীয় জনপ্রিয় সাংসদ সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি। তিনি স্থানীয় এলাকার উন্নয়ন ও অগ্রগতির মাইল ফলকও বটে।

নওগাঁয় অবস্থান করলে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অর্থাৎ বেশির ভাগ সময় উপজেলাগুলোতে সময় দেন সাধন চন্দ্র মজুমদার। আর তাঁর কাছ থেকে কেউ কিছু খালি হাতে ফিরতে হয় না বলে জানিয়েছে এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সাংসদ হয়ে বিগত দিনে তিনি যে পরিমাণ উন্নয়ন করেছেন মন্ত্রী হিসেবে আরো উন্নয়ন করবেন। তাছাড়া সাধন চন্দ্র মজুমদার খাদ্যমন্ত্রী হওয়ায় নওগাঁবাসীর প্রাণের দাবি গ্যাস সংযোগ, ইপিজেড, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সাধারণ মানুষের সব ধরনের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের একটি পথ সৃষ্টি হলো বলেও বিটিবি নিউজ অনুসন্ধানের আয়নায় উঠে এসেছে।

আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ। আজকে পাঁচশ বছর আগের মানুষ যদি বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখতে পেতো তাহলে তারা বিষ্ময়ে বিমঢ় হয়ে যেতো। আমরা বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখছি, ট্র্যাফিক জ্যাম মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি, আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছি,স্বপ্ন দেখি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়ে তোলার, এখন আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। যখনই কেউ দেশের একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্র দুর্নীতিমুক্ত করে ওই ক্ষেত্রটিকে উন্নত এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ হিসেবে গড়ে তুলতে চায় তখনই তার বিরুদ্ধে একটি বিশেষ সিন্ডিকেট কিংবা মাফিয়া গ্রুপ ষড়যন্ত্র শুরু করে। এমনই ঘটনা ঘটছে খাদ্যমন্ত্রী নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য সাধন চন্দ্র মজুমদারের বিরুদ্ধে। যিনি মন্ত্রীত্বের দায়িত্ব নিয়েই স্বপ্ন দেখিয়েছেন উক্ত মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতি মুক্ত করে দেশকে খাদ্যে সম্পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণ করার। স্বপ্ন দেখিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার। সাধন চন্দ্র মজুমদার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন এবং খাদ্যের মান নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেন। পাশপাশি দেশে অতিরিক্ত খাদ্য গোদাম নির্মাণ, ভেজাল খাদ্য প্রতিরোধ করতে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ রাখেন, যার ফলে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অনিয়ম কিংবা শত কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য এবং দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যায়। খাদ্যমন্ত্রীর সততা ও তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে একটি বিশেষ সিন্ডিকেট অন্যায় ভাবে এবং অবৈধ উপায়ে টাকা উপার্জন করতে ব্যর্থ হয়। প্রধানমন্ত্রীর নেয়া দূর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযানে সব থেকে সফল তার খাদ্য মন্ত্রনালয়। আর এই কাজ করতে গিয়ে সাধন মজুমদার চক্ষুশূল হয়েছেন অনেকের। আজ এই সকল দূর্নীতিবাজরা প্রতিশোধের সুযোগ খুঁজছে। সিন্ডিকেটগুলো ন্যায় অন্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে যা-ইচ্ছে তাই অভিযোগ সাজানোর পাঁয়তারাও করছে।

এই সুযোগে বিভিন্নভাবে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকে সততার অনন্য উচ্চতার সিঁড়ি থেকে নামাতে মরিয়া ওই মাফিয়া গ্রুপটি। তাঁকে হেয় প্রতিপন্ন করাসহ ক্ষতিগ্রস্থ করছে তাঁর ব্যক্তিগত, পরিবারিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনকে। খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সততা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা আর মান-সম্মানকে নষ্ট করার জন্য অতিউৎসাহীরা অন্যায়ভাবে দোষারূপের আঙ্গুল তুলছেন তাঁর ডাক্তার মেয়ের প্রতি।

সহজ সরল হাস্যোজ্জল সুখী দম্পত্তি। ডাক্তার রাজন কর্মকার আর ডাক্তার কৃষ্ণা মজুমদার। কর্মময় জীবনের একই বৃন্তে কর্মরত দু’জন। পেশায় কর্মরত দুইজন। দক্ষ এবং যথেষ্ট পেশাদারীত্বের সুনামের ছাপ রয়েছে দুজনেরই । কর্মজীবন আর সামাজিক জীবন মিলিয়ে তাদের ভালবাসার কমতি ছিলো বলার কোনো সুযোগ নেই। হাজার হাজার হাস্যোজ্জল আর বাসাবাড়ি, আত্নীয়-স্বজনসহ বিভিন্নস্থানে থরে থরে সাজানো ভালবাসাপূর্ন ছবিই বলে দেয় কতটা বোঝাপড়ার আর সাজানো গোছানো ছিলো তাদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক জীবনের রঙিন পৃথিবীটা।

গত শনিবার রাত ৩টায় হঠাৎ করেই খাদ্যমন্ত্রীর মেয়ে কৃষ্ণা মজুমদারের জামাতা ডাক্তার রাজন কর্মকার হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে সাথে সাথে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদরোগের কথা উল্লেখ করেছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। স্কয়ার হাসপাতালের ইমার্জেন্সি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. আসাদ বলেন, ‘রবিবার ভোররাত ৩টা ৪৫ মিনিটে রাজন কর্মকারকে তার পরিবার হাসপাতালে নিয়ে আসে। তবে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা। তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

অথচ ডাক্তার রাজনের মৃত্যুর পর স্ত্রী কৃষ্ণা মজুমদারের স্বামী হারানোর শোকের উপরেই চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে স্বামী হত্যার মত অন্যায় অভিযোগ। রাজনের জীবন যাপনে দাম্পত্য কলহের গুরুতর কোন ঘটনা ছিলনা। কোন সূত্র বা ভিত্তি ছাড়াই কলহ আর হত্যার অভিযোগের আঙ্গুল তুলছে একটি কুচক্রী বিশেষ সিন্ডিকেট মহল।

সাধু সাবধান আইনশৃংখলা বাহিনীসহ বিভিন্নসূত্র ইতিমধ্যে ওই সকল সিন্ডিকেটের সদস্য, তাদের সাথে আতাতকারী ডাক্তার গ্রুপ এবং অন্যান্য স্বার্থান্বেষীদের তালিকা তৈরি করছে। যারা এই ঘটনাকে ভিন্ন স্বার্থে ব্যবহারের চেস্টা করছে তাদের বিরুদ্ধে কঠিনতর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। সুন্দর আগামীর জন্য দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে ওই সকল কুচক্রী ও বিশেষ সিন্ডিকেটকারীদের অন্যায়ের হাতকে গলাটিপে ধ্বংস ও ধুলিষ্যাত করে দেয়ার মানবিক আবেদনও রয়েছে সমাজ সচেতন বিশ্লেষকদের।

খাদ্যমন্ত্রীর জামাইয়ের মৃত্যু নিয়ে একদিকে শোকের মাতম অন্যদিকে কুচক্রী মহলের সিন্ডিকেটের পাঁয়তারা Reviewed by on . মামুন পারভেজ হিরা -- ১৯৮৪ সালে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সাধন চন্দ্র মজুমদার। এরপর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হন তিনি। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ নির্বাচ মামুন পারভেজ হিরা -- ১৯৮৪ সালে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সাধন চন্দ্র মজুমদার। এরপর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হন তিনি। ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ নির্বাচ Rating: 0

Leave a Comment

scroll to top