ফোনের ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর সহজ ৫টি উপায়

ফোনের ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর সহজ ৫টি উপায়

বর্তমান করোনা আবহে মানুষ এখন ঘোরাফেরা বাদ দিয়ে বাড়িতে থাকাটাই বেশি নিরাপদ মনে করছেন। আর বাড়িতে থাকার কারণে প্রতিদিন বেড়ে চলেছে ইন্টারনেটের ব্যবহার। যে কারণে টেলিকম সংস্থাগুলি যতই নতুন নতুন রিচার্জ প্ল্যান আনুক না কেন ইন্টারনেট স্পিড নিয়ে একটা সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। বেশিরভাগ স্মার্ট ফোন অথবা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদেরই এই সমস্যা। এমনকি বারংবার অভিযোগ জানিয়েও কোনোরকম সুরাহা হয়নি। তবে এই ইন্টারনেট স্পিড কমার মূল কারনই হল ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলা। বর্তমান পরিস্থিতিতে ইন্টারনেট স্পিড এমন জায়গায় এসে পৌঁছেছে ঠিক যেন 3G নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার মতো পরিস্থিতি। আর এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য রয়েছে পাঁচটি সহজ উপায়।

কিভাবে মোবাইলের ইন্টারনেট স্পিড বাড়াবেন?

১) ফোনের ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর জন্য সবথেকে সহজ উপায় হল মোবাইলটিকে রিস্টার্ট করা। মোবাইল রিস্টার্ট হওয়ার পর নতুন করে নেটওয়ার্ক সার্চ করে। যে কারণে ইন্টারনেট স্পিড বেড়ে যায়। এছাড়াও আরও একটি উপায় হলো যখন ইন্টারনেট স্পিড কমে যাচ্ছে তখন মোবাইল ডাটা বন্ধ করে আবার চালু করা।

২) মোবাইল রিস্টার্ট করা ছাড়াও মোবাইল নেটওয়ার্ক ফ্লাইট মোড অন করে আবার ফ্লাইট মোড অফ করেও ফোনের ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানো যেতে পারে। ফ্লাইট মোড অন অফ করলে মোবাইল রিস্টার্ট করার মতোই নতুন করে নেটওয়ার্ক সার্চ করা হয়। যাতে করে ইন্টারনেট স্পিড বাড়ে। তবে রিস্টার্ট করার ক্ষেত্রে সুবিধা এটাই যে ব্যাকগ্রাউন্ডে অন্য কোন অ্যাপ চালু থাকলে সেগুলো বন্ধ হয়ে যায়।

৩) আপনার স্মার্টফোনের বেশ কিছু ফিচার অফ করে রাখুন। যাতে আপনি কাজের সময় ইন্টারনেট স্পিড থেকে ব্যাহত না হয়। যেগুলি হলো অটো ডাউনলোড, অটো আপডেট ইত্যাদি। এগুলি অন করা থাকলে অনেক সময় কাজের সময় ব্যাকগ্রাউন্ডে ডাউনলোড অথবা আপডেট হতে শুরু করলে ইন্টারনেট স্পিড কমে যায়।

৪) দীর্ঘস্থায়ীভাবে ইন্টারনেট স্পিড কমে গেলে ফোনের সেটিংস রিসেট করে দেখতে পারেন। কারণ অনেক সময় সেটিংসের পরিবর্তন ইন্টারনেট স্পিড কমিয়ে দেয়।

৫) পঞ্চম উপায়টি কেবলমাত্র জিও গ্রাহকদের জন্য। যখন কোন ভিডিও ডাউনলোড অথবা আপলোড খুব ধীরগতিতে হচ্ছে অথচ আপনার দ্রুত প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে আপনি ব্যাকগ্রাউন্ডে যেকোনো একটি নম্বরে কল চালু রেখে আপলোড অথবা ডাউনলোডের কাজ চালান। দেখবেন আগের তুলনায় দ্বিগুণ তাড়াতাড়ি ডাউনলোড অথবা আপলোড হয়ে যাবে। উদাহরণস্বরূপ ১৯৯১-এ কল করে মিনিমাইজ করার পর আপলোড অথবা ডাউনলোড করুন।

এপ্রসঙ্গে বলে রাখা ভালো উপরিউক্ত উপায়গুলি কোনটাই দীর্ঘস্থায়ী নয়। স্থান বিশেষে এবং স্থান পরিবর্তনের সাথে সাথে ইন্টারনেটের স্পিড কমা বাড়া করে। সেক্ষেত্রে যখন একেবারেই স্পিড কমে যায় তখন এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করলে কিছুটা হলেও সুরাহা মিলে।