নওগাঁর সাপাহারে ২হাজার ৬শ ২২জন খামারী প্রধানমন্ত্রীর করোনা প্রণোদনা পেয়েছে

নওগাঁর সাপাহারে ২হাজার ৬শ ২২জন খামারী প্রধানমন্ত্রীর করোনা  প্রণোদনা পেয়েছে

বাবুল আকতার রানা ঃ নওগাঁর সাপাহার উপজেলায় ২হাজার ৬শ ২২ জন খামারী প্রধান মন্ত্রীর করোনা প্রণোদনার নগদ টাকা পেয়েছে। চলমান করোনা সংকট কালে খামারীরা প্রণোদনার নগদ টাকা হাতে পেয়ে শুকরিয়া আদায় করছেন। করোনাকালে সারা দেশে ক্ষতিগ্রস্থ বিভিন্ন গবাদীপশু খামারীদের দুর্দশার দিক চিন্তা করে প্রধান মন্ত্রী তাদের প্রণোদনা দেয়ার সিন্ধান্ত গ্রহণ করেন। সাপাহার উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা: আশীষ কুমার দেবনাথ তার কর্মীদের দ্বারা সারা উপজেলার খামারীদের তালিকা তৈরী করে  উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দপ্তরে পাঠান। ফলে বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে খামারীদের নামে বরাদ্দ আসে প্রণোদনার টাকা।
উল্লেখ্য যে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রনালয় হতে কৃষি মন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক করোনায় তিগ্রস্ত খামারিদের আর্থিক প্রণোদনা দেয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
জানা যায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে করোনায় তিগ্রস্ত ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৪৭৬ জন খামারিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে মোট ৫৬৮ কোটি ৮৬ লাখ ৪১ হাজার ২৫০ টাকা নগদ প্রণোদনা দিয়েছে ।
এরই ধারাবাহিতায় সাপাহারে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রাণীসম্পদ খাতে করোনায় তিগ্রস্ত প্রায় ২হাজার ৬শ ২২ জন খামারির মাঝে সর্বনি¤œ ৩৩৭৫ টাকা থেকে ২২৫০০ টাকা সহ মোট ৩কোটি ১৩ল ৪৪হাজার ৮৯৫টাকা সাপাহার উপজেলার খামারিগণ পেয়েছেন।
সরেজমিনে সাপাহার বহুমূখী এগ্রো ফার্মের মালিক খামারী সাংবাদিক তছলিম উদ্দীন, ফুরকুটি ডাঙ্গা গ্রামের খামারী রাজিয়া সুলতানা, তুলশী পাড়া গ্রামের আবুল কাশেম সহ বেশ কয়েকজন খামারির সাথে কথা হলে তারা জানান করোনা মহামারীর কারণে তাদের অনেক তি  হয়েছে, ফলে অনেক খামারি তাদের পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশা গ্রহণ করতে বাধ্য  হয়েছে। এমনী সময় প্রধানমন্ত্রীর করোনা প্রণোদনার টাকা পেয়ে তারা খুশি হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
সাপাহার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান হোসেন মন্ডল বলেন, বর্তমান সরকার জনবান্ধব সরকার। দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে সবসময় কাজ করে থাকেন। এই মহামারীর কারণে তিগ্রস্ত খামারিরা যে করোনা প্রণোদনা পেলেন এর জন্য আমি সাপাহার উপজেলা বাসীর প থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
সাপাহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কল্যাণ চৌধুরী বলেন, দেশ উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের মানুষের ভাগ্য বদলাতে এবং দেশকে এগিয়ে নিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ হচ্ছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে এই করোনা প্রণোদনা প্রদান করা। 
সাপাহার উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আশীষ কুমার দেবনাথ বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত করোনা পরিস্থিতির জন্য তিগ্রস্থ খামারিরা যে প্রণোদনার টাকা সরাসরি পাবেন, তা দিয়ে সাপাহার তথা সারা দেশের খামারিরা গবাদিপশু পালনে উদ্বুদ্ধ হবে।