দেশে করোনাভাইরাসের ৫৯০ বার চরিত্র বদল, ৮টি রূপ বিশ্বেই নজিরবিহীন

দেশে করোনাভাইরাসের ৫৯০ বার চরিত্র বদল, ৮টি রূপ বিশ্বেই নজিরবিহীন

সংক্রমণ শুরুর পর থেকেই দেশে খুব দ্রুত জিন পাল্টাচ্ছে করোনাভাইরাস। এ পর্যন্ত পাল্টেছে কমপক্ষে ৫৯০ বার। যার আটটিরই নজির নেই বিশ্বে। সারা দেশের ১৭১টি নমুনার জিন রহস্য উম্মোচন করে এমন দাবি করেছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)।

সারা বিশ্বে করোনভাইরাসের গতি-প্রকৃতি নির্ধারণে এর জিনোম সিকোয়েন্স বা পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত পাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইতিমধ্যে দেশের গবেষকরা সবমিলিয়ে ২২২টি নমুনার জীবন বৃত্তান্ত উম্মোচন করেছে। এরমধ্যে সরকারের শিল্প ও গবেষণা পরিষদ বা বিসিএসআইআরের গবেষক দল এই কাজ করেছে ১৭১টি করোনা ভাইরাসের। লক্ষ্য তিন শতাধিক।

রোববার (১৯ জুলাই) সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটি বলছে, বাংলাদেশে সংক্রমণে দায়ী ভাইরাসে D614G স্ট্রেইন শনাক্ত হয়েছে ৯৫ শতাংশ। আর ভাইরাসটি জিনোমিক পর্যায়ে রূপ পরিবর্তন করেছে ৫৯০ বার আর প্রোটিন লেভেল যা ২৭৩ বারেরও অধিক। বাংলাদেশে শনাক্ত স্ট্রেইন পাওয়া গেছে মূলত ইতালি-বেলজিয়াম-স্পেনে।

দেশে করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স ডেটা প্রকাশ করা হয়েছে বৈশ্বিক সংস্থা NCBI এবং GISAID তে। যা সারাবিশ্বে করোনা মোকাবিলায় কোনো পদক্ষেপ নেয়ার উম্মুক্ত তথ্য ভান্ডার।

গবেষণার জন্য ইউনিভার্সিটি অব মেলবোর্ন এবং ইউনিভার্সিটি অব নটিংহ্যামের সাথে চুক্তি করেছে বিসিএসআইআর। বিজ্ঞানমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান জানান, করোনার ওষুধ উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করেছে মন্ত্রণালয়।

বিসিএসআইআর বলছে, ভ্যাকসিন গবেষণার অংশীদার হতে বিভিন্ন সংস্থার সাথে যোগাযোগও শুরু করেছেন তারা।